পেঁয়াজ কেটেই শুরু, মিশন—মিশেলিন !

সেদিন একজন এসে বললো,

“শেফ, আমি কোর্স করছি। কাটিং নিয়ে কিছু টিপস দেন না যাতে দ্রুত শিখতে পারি।”
আমি বললাম, “বেশি বেশি পেয়াজ কাটো।”
সে অবাক হয়ে বলছে, “শুধু পেয়াজ কাটবো?” 😳
তো, ওকে যেমন বুঝিয়েছি, চলেন এবার আপনাদেরও একটু বুঝিয়ে বলি।
একটা জিনিস খেয়াল করেন—আপনি যাই রান্না করেন না কেন, সবার আগে কিন্তু কাটিং-ই করতে হয়।
মাছ, মাংস, সবজি... কিছুই তো কাটাছেঁড়া ছাড়া রান্নায় যায় না।
তাই যদি আপনি শেফ হতে চান, কিংবা চান আপনার রান্নায় একটা ‘প্রফেশনাল টাচ’ আসুক—কাটিং স্কিল মাস্টার করা জরুরি।
কেন দরকার ভালো কাটিং স্কিল?
খাবারের টেস্ট & টেক্সচার ঠিক রাখতে
ফুড ভ্যালু নষ্ট না করতে
রান্নার সময় বাঁচাতে
এক্সিডেন্ট এড়াতে


এখন প্রশ্ন—এই স্কিল আসবে কিভাবে?
প্রথমেই দরকার ছুরি সম্পর্কে ভালো ধারণা।
নাইফ মানেই শুধু একটা ধারালো জিনিস না—প্রতিটা ছুরির কাজ আলাদা।
সব কিছু এই এক পোস্টে বলা যাবে না, ইনশাআল্লাহ আমার বইয়ে বিস্তারিত থাকছে।
তবে আজকে একটা সহজ টিপস শেয়ার করি:
বেশি বেশি পিয়াজ কাটুন।
কেন পেয়াজ?
আমাদের রান্নায় পেয়াজ সবসময়ই লাগে
নষ্ট হওয়ার ভয় নেই – ব্লেন্ড করে রান্নায় বা ডীপ ফ্রিজে রেখে দেয়া যায়
গোল এবং ছোট হওয়ায় গ্রিপে চ্যালেঞ্জ থাকে – প্র্যাকটিসে গ্রিপ স্ট্রেংথ বাড়ে
কাটিং মাপ ঠিক রাখার জন্য এটা পারফেক্ট প্র্যাকটিস মেটেরিয়াল

👉 শুনেছি দেশের বড় বড় শেফদেরও ক্যারিয়ারের শুরুতে বস্তা বস্তা পেয়াজ কাটতে হতো। আজ তারা একেকজন লিজেন্ড!
তাই যদি শেফ হতে চান, সময় বাঁচিয়ে কাটিং শিখতে চান,
তাহলে পিয়াজ কাটুন – যত পারেন, তত কাটুন।
শেষে একটা কথা—পিয়াজ কাটা শেষ হলে একটা বক্স আমারে পাঠাইয়েন তো 😅
সাতকরার গরুর গোশত খাইতে খুব মন চাইতাছে!

Post a Comment

Previous Post Next Post