চিজকে সাধারণভাবে কয়েক ধরনের ?

চিজকে সাধারণভাবে কয়েক ধরনের মধ্যে ভাগ করা হয়। প্রতিটার আলাদা টেক্সচার, স্বাদ আর ব্যবহার আছে ধরন গুলো হলো -



১. ফ্রেশ চিজ (Fresh Cheese)

    • Mozzarella – ইতালি
    • Ricotta – ইতালি
    • Cottage Cheese – ইউরোপ-আমেরিকা
    • Mascarpone – ইতালি
  • বানানোর প্রক্রিয়া: দুধকে গরম করে লেবুর রস/ভিনেগার বা রেনেট দিয়ে দইয়ের মতো জমাট বাঁধানো হয়। তারপর ছেঁকে নরম অবস্থায় রেখে ব্যবহার করা হয়।
  • ব্যবহার: পিৎজা, লাসাগ্না, সালাদ, ডেজার্ট (তিরামিসুতে মাসকারপোন)

২. সফট চিজ (Soft Cheese)

    • Brie – ফ্রান্স
    • Camembert – ফ্রান্স
    • Neufchâtel – ফ্রান্স
  • বানানোর প্রক্রিয়া: দুধকে জমাট বাঁধানোর পর ছাঁচে ফেলে কিছুদিন এজিং করা হয়। বাইরে সাদা ছত্রাকের রাইন্ড (Penicillium candidum) তৈরি হয়, ভেতরে ক্রিমি নরম টেক্সচার থাকে।
  • ব্যবহার: বিস্কুট, ব্রেড, ফল, ওয়াইনের সাথে

৩. সেমি-সফট চিজ (Semi-Soft Cheese)

    • Havarti – ডেনমার্ক
    • Gouda (Young) – নেদারল্যান্ডস
    • Monterey Jack – যুক্তরাষ্ট্র (ক্যালিফোর্নিয়া)
    • Port Salut – ফ্রান্স
  • বানানোর প্রক্রিয়া: দুধ জমিয়ে প্রেস করে ছাঁচে রাখা হয়। কিছু সপ্তাহ থেকে মাসখানেক এজ করা হয়, ফলে ইলাস্টিক, মসৃণ টেক্সচার হয়।
  • ব্যবহার: স্যান্ডউইচ, বার্গার, গ্রিলড চিজ, সস

৪. সেমি-হার্ড চিজ (Semi-Hard Cheese)

    • Cheddar (Mild/Medium) – ইংল্যান্ড
    • Edam – নেদারল্যান্ডস
    • Jarlsberg – নরওয়ে
  • বানানোর প্রক্রিয়া: জমাট বাঁধানো দুধকে প্রেস করে ব্লক আকারে বানানো হয়। কয়েক মাস এজ করা হয়, ফলে টেক্সচার শক্ত ও স্লাইসযোগ্য হয়।
  • ব্যবহার: স্যান্ডউইচ, ক্যাসারোল, পাস্তা

৫. হার্ড চিজ (Hard Cheese)

    • Parmigiano Reggiano (Parmesan) – ইতালি
    • Grana Padano – ইতালি
    • Pecorino Romano – ইতালি
    • Aged Cheddar – ইংল্যান্ড
  • বানানোর প্রক্রিয়া: দুধ থেকে কার্ড তৈরি করে শক্তভাবে প্রেস করে দীর্ঘ সময় (১–৩ বছর পর্যন্ত) এজ করা হয়। এতে দানাদার ও শুকনো টেক্সচার তৈরি হয়।
  • ব্যবহার: পাস্তা, রিসোত্তো, স্যুপ, গ্রেট করে সিজনিং

৬. ব্লু চিজ (Blue Cheese)

    • Roquefort – ফ্রান্স
    • Gorgonzola – ইতালি
    • Stilton – ইংল্যান্ড
    • Danish Blue – ডেনমার্ক
  • বানানোর প্রক্রিয়া: দুধ জমিয়ে এজ করার সময় বিশেষ ছত্রাক Penicillium roqueforti মিশানো হয়। ফলে ভেতরে নীল বা সবুজ দাগ হয় এবং তীব্র সুবাসযুক্ত স্বাদ তৈরি হয়।
  • ব্যবহার: সালাদ ড্রেসিং, ডিপ, মাংস বা স্টেকের সাথে

Post a Comment

Previous Post Next Post